রাজনীতির সব সংবাদ

কাশিয়ানীতে  নির্বাচনি জনসভা

 

আলোড়ন৭১ প্রতিবেদক:

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া সরকারী কলেজ মাঠে শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্তজনসভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোক্তার হোসেন ও সঞ্চালন করেন সাবেক ভিপিও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য রবি

নির্বাচনি জনসভায় ৮ বার সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি  প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন,

স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি জিয়া-মোস্তাকদের উত্তরসূরি বিএনপি-জামায়াত। এরা দেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে।

কিন্তু আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে বাংলার জনগণ তাদেরকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করেছে। ভবিষ্যতে খুনি মাফিয়া দল স্বাধীন দেশ থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আগুনে পুড়িয়ে মানুষ মারার রাজনীতি চিরতরে এদেশে বন্ধ হবে। জিয়ার কুলাঙ্গার পুত্র খুনি তারেক লন্ডনে বসে সোনার বাংলায় বাসে, ট্রেনে আগুন দিয়ে মা, শিশু হত্যার যে পায়তারা চালাচ্ছে। তা দেশের জনগণ আর সহ্য করবে না। দেশের মানুষ ৭ জানুয়ারি ভোট দিয়ে নৌকার জয়ের মাধ্যমে অগ্নিসংযোগ, গণহত্যার সমুচিত জবাব দেবে।

বাংলার মাটিতে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতি চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। আওয়ামী লীগের উন্নয়ন, মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের ধারা কোন অপশক্তি বাঁধাগ্রস্থ করতে দেবে না বাংলার জনগণ।

এসময় আরো বক্তব্য দেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাহাবুব আলী খান,  সম্পাদক জি. এম সাহাব উদ্দিন আজম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কাশিয়ানী উপজেলা চেয়ারম্যান সুব্রত ঠাকুর, শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি’র নির্বাচনী চীফ এজেন্ট এড. রণজিৎ কুমার গামা, গোপালগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী লিয়াকত আলী লেকু, সাধারণ সম্পাদক আবু সিদ্দিক সিকদার, কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি খায়ের শেখ, বেথুরী ইউপি চেয়ারম্যান ইমরুল হাসান  যুবলীগের আহবায়ক মো. আমিরুজ্জামান আমিরু প্রমুখ।

এসময় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীর শ্রীধাম ওড়াকান্দির শ্রী শ্রী হরি- গুরুচাঁদ মতুয়া মিশনের সভাপতি ও বর্তমা গদীসমাসীন ঠাকুর মহা-মতুয়াচার্য শ্রী পদ্মনাভ ঠাকুর, গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুর রহমান লিটন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদ হোসেন দিপু, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক এড. এম এম নাসির আহমেদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এড. এম জুলকদর রহমান, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও গোপালগঞ্জ সাংবাদিক ইউনিয়নের (জিইউজে) সভাপতি সৈয়দ মুরাদুল ইসলাম, কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান (সাবেক) জানে আলম বিরু, ছাত্রলীগের সভাপতি নিউটন মোল্লা,

ফুকরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ ইশতিয়াক, ওড়াকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান বদরুল আলম, নিজামকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী নওশের আলী, হাতিয়াড়া ইউপি চেয়ারম্যান দেব দুলাল বিশ্বাস, পুইশুর ইউপি চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম সিকদার, সিঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান সহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংক্ষক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

কতো টাকার মালিক ওবায়দুল কাদের?

ডেস্ক রিপোর্ট :

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের কাছে নগদ অর্থ রয়েছে ৮০ হাজার টাকা। আর তার ব্যাংকে রয়েছে ৭৫ লাখ টাকা। তিনি বই লিখে বছরে চার লাখ ২৫ হাজার টাকা এবং এমপি ও মন্ত্রী হিসেবে বছরে ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা বেতন ভাতা পান।

দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ আসন থেকে অংশগ্রহণের জন্য দাখিল করা হলফনামায় তিনি এসব তথ্য উল্লেখ করেছেন।

হলফনামা সূত্রে জানা গেছে, অ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ওবায়দুল কাদেরের বাৎসরিক আয় ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৯২৪ টাকা। একই খাতে তার স্ত্রীর আয় তিন লাখ ৯৬ হাজার ৯৬৬ টাকা। কাদেরের নিজ নামে ছয় লাখ ৯৭ হাজার ২৮৪ টাকার ও স্ত্রীর নামে চার লাখ ৮০ হাজার ৯২২ টাকার সঞ্চয়পত্র রয়েছে। নিজের ব্যবসা খাতে বাৎসরিক কোনো আয় না থাকলেও স্ত্রীর ব্যবসা থেকে বাৎসরিক আয় ৮৬ হাজার ৭২৭ টাকা। এ ছাড়া সেতুমন্ত্রীর স্ত্রী আইন পেশা থেকে বছরে দুই লাখ ৫৮ হাজার ৯০০ টাকা আয় করেন।

ব্যাংকে ওবায়দুল কাদেরের নামে ৭৫ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৫ টাকা ও স্ত্রীর নামে ৫১ লাখ ৯৭ হাজার ৬৪৯ টাকা জমা আছে। পাশাপাশি নিজের কাছে নগদ ৮০ হাজার টাকা ও স্ত্রীর কাছে ৭০ হাজার টাকা রয়েছে।

স্টল, সেভিংস সার্টিফিকেটসহ বিভিন্ন সঞ্চয়পত্র ও স্থায়ী আমানতে ওবায়দুল কাদেরের বিনিয়োগ রয়েছে এক কোটি ৪৯ লাখ ৪৬ হাজার ২৯৩ টাকা ও তার স্ত্রীর বিনিয়োগ রয়েছে ৭৩ লাখ ৬২ হাজার ৮১৫ টাকা।

ওবায়দুল কাদেরের নিজ নামে রয়েছে ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা দামের একটি গাড়ি ও এক লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণালঙ্কার। এ ছাড়া তার স্ত্রীর রয়েছে এক লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার। এ ছাড়া রাজধানীর উত্তরায় নিজ নামে ৫০ লাখ ৭৯ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের পাঁচ কাঠা জমি ও স্ত্রীর নামে ১৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের ১০৫০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে বলেও হলফনামায় উল্লেখ করেছেন কাদের।

সুত্র: আরটিভি

হিরো আলমের বার্ষিক আয় ও সম্পদ বিবরণী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আলোচিত-সমালোচিত ইউটিউবার হিরো আলমের আয় তেমন বাড়েনি। গত ১১ মাসের ব্যবধানে তার আয় বেড়েছে মাত্র ২২ হাজার টাকা। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে অংশ নিতে দাখিল করা হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। যদিও যথাযথভাবে পূরণ না করার কারণে হিরো আলমের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করেছেন

চলতি  বছরের ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হিরো আলম আওয়ামী লীগ-সমর্থিত জাসদের প্রার্থী একেএম রেজাউল করিমের কাছে হারেন। ঠিক ১১ মাস পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসনে আবারও প্রার্থী হয়েছেন হিরো আলম।

এবারের হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, তার বছরে আয় ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এর মধ্যে কৃষিজমি থেকে ৬ হাজার এবং মিডিয়া ব্যবসা থেকে বাকি টাকা আসে। ব্যাংকে জমা আছে ৩০ হাজার টাকা। স্ত্রীর নামে রয়েছে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার। আছে ৫৫ লাখ টাকার পারিবারিক সঞ্চয়পত্র। সব মিলিয়ে গত ১১ মাসে মিডিয়া ব্যবসা থেকে তার আয় বেড়েছে ২২ হাজার টাকা। তবে উপনির্বাচনে গাড়ির কথা উল্লেখ করলেও এবারের হলফনামায় গাড়ির ব্যাপারে কোনো তথ্য নেই। এ ছাড়াও তার কোনো ঋণ নেই এবং একটি মামলা ছিল সেটিও নিষ্পত্তি হয়েছে।

রোববার (ডিসেম্বর ৩) দুপুরে বগুড়া-৪ আসনে মনোনয়নপত্র যথাযথভাবে পূরণ না করার কারণে হিরো আলমের মনোনয়ন বাতিল করেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বগুড়া-৪ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ২৮ হাজার ৪৬৯ জন। গত ১ ফেব্রুয়ারি বগুড়া-৪ (কাহালু ও নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (একতারা প্রতীক) হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন হিরো আলম। এর মধ্যে বগুড়া-৪ আসনে ১৪-দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জাসদের একেএম রেজাউল করিমের কাছে ৮৩৪ ভোটে হেরে যান তিনি।

 

সুত্র : চ্যানেল২৪

হিরো আলম ৩০ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দেবেন।

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করার পরও মাঠে দেখা মিলছে না আলোচিত ইউটিউবার আশরাফুল হোসেন আলমের (হিরো আলম)। তবে মাঠে না থাকলেও নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে শনিবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি।

স্বতন্ত্র, নাকি কোনো দল থেকে নির্বাচন করছেন জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, এবার দলীয় মনোনয়নে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব। একটি দলের মনোনয়নপত্র কিনেছি।

দলের নাম জানতে চাইলে আলম বলেন, দলের নাম আগেই প্রকাশ করছি না। আমি এখন দুবাই আছি। দুবাই থেকে দেশে ফিরব আগামী পরশু। আগে বগুড়া যাব। তারপর আগামী ৩০ তারিখ মনোনয়ন পত্র জমা দেবো। তখনই সবাই জানতে পারবে আমি কোন দল থেকে নির্বাচন করছি।

জাতীয় পার্টি থেকে না তৃণমূল বিএনপি থেকে অংশগ্রহণ করছেন জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, আগেই কোন দলের নাম বলব না। আগেই কোনো দলের নাম লিখবেন না।

এর আগে হিরো আলম বলেছিলেন, সব দল অংশগ্রহণ না করলে এবার তিনি নির্বাচনে যাবেন না।

তাহলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব দল না করুক। অনেকগুলো দল তো করছে। জাতীয় পার্টি করছে। তৃণমূল বিএনপি তো বিএনপিরই একটা অংশ। এখানে তো বিএনপির বেশিরভাগ নেতারাই আছেন। বিএনপি ছাড়া তো সব দলই অংশগ্রহণ করছে।

এর আগে এ সরকারের নির্বাচন সুষ্ঠ হয়নি বলে অভিযোগ করেছিলেন হিরো আলম। এ বছর বগুড়া -৪ আসনের উপনির্বাচনে যড়যন্ত্র করে তাকে হারানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন তিনি।

তাহলে এ বছর নির্বাচন সুষ্ঠ হবে এবং কারচুপি হবে না বলে মনে করছেন কি না জানতে চাইলে হিরো আলম বলেন, এখন ভোট সুষ্ঠু হবে কি না জানি না। তবে এবার যদি সুষ্ঠু নির্বাচন না হয়, প্রতিটাবার যদি সরকার এরকম নির্বাচন করে… বহির্বিশ্বের তো এমনি আমাদের ওপর আস্থা নেই, এবারও যদি এ রকম নির্বাচন করে তাহলে আরও আস্থা থাকবে না। জনগণের ভোটের ওপর তো আগ্রহ একেবারে উঠেই গেছে। আমরা যদি একটু ভোটারদের আগ্রহ তৈরি করে ভোটার মাঠে নিয়ে আসি, তারপরেও যদি ভোটাররা ভোট দিতে না পারেন তাহলে এর থেকে কষ্টের তো আর কিছু হতে পারে না।

দুবাই যাওয়ার আগে মনোনয়নপত্র তুলেছেন বলে জানান হিরো আলম। এবার তিনি বগুড়া-৪ এবং বগুড়া-৬ থেকে নির্বাচন করতে চান।

সুত্রঃ যুগান্তর।

মাশরাফির আসনে আরো ২৪ নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী

0

 

আলোড়ন৭১ প্রতিবেদক:

ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজার নড়াইল-২-এর আসনে আওয়ামী লীগের দুই ডজন নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী। দলীয় মনোনয়ন ফরম জমা দিয়ে নৌকার টিকিট পেতে দৌড়ঝাঁপ করছেন জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ের এসব নেতা।

মাশরাফির মতো একজন জনপ্রিয় ক্রিকেটার এমপি হওয়া সত্ত্বেও এ আসনে কেন একই দলের এত নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী– তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত এ আসনে দলটির কেন্দ্রীয় যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক মাশরাফি ফের দলীয় মনোনয়ন পাচ্ছেন, নাকি নতুন মুখ আসছে– তা নিয়ে সর্বত্রই চলছে আলোচনা।

মাশরাফির পাশাপাশি এ আসনে নৌকার মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান, সহসভাপতি আসিফুর রহমান বাপ্পি, মো. হাসানুজ্জামান, আইয়ুব আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশিদুল বাশার ডলার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী এ এম আবদুল্লাহ, নড়াইল পৌর আওয়ামী লীগ সভাপতি মলয় কুণ্ডু, লোহাগড়া উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফয়জুর আমীর লিটু, বর্তমান সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা হাবিবুর রহমান তাপস, কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম, কাজী জাহিদুর রহমান, ফারহানা রেজা পিউলী, ব্যারিস্টার আমিনুর রহমান আলামিন, শামীমা সুলতানা, জসিম উদ্দিন কনক, মনির হুসাইন, ড. কে এম সালাউদ্দিন, নজরুল মুন্সী, পলাশ হাজরা, লায়ন নূর ইসলামসহ ২৪ নেতা। সমকাল থেকে নেয়া।

অবরোধে শঙ্কাপূর্ণ সদরঘাট কি অবস্থা যাত্রীদের?

ডেস্ক রিপোর্ট : 

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা টানা তিন দিন অবরোধের প্রথম দিনে দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে নৌপথে সদরঘাটে আসা মানুষের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সহিংসতার মধ্যে অবরোধ নিয়ে প্রতিটি যাত্রীর মাঝেই ছিল কিছুটা উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার ছাপ।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর সদরঘাটে সরেজমিনে গিয়ে এসব চিত্র দেখা যায়। সদরঘাটে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে। লঞ্চে আসা যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজধানীতে চলমান সংহিতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি করেছে এক ধরনের নিরাপত্তার শঙ্কা।

আলোড়ন৭১
সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, ছবি সংগ্রহীত।

বিশেষ করে চলন্ত বাসে আগুনের ঘটনা যাত্রাপথে তাদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। বরিশাল থেকে আসা শফিক নামের এক যাত্রী বলেন, কয়েকদিন যাবৎ রাজধানীতে যে একটা বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে আমার মতো সাধারণ মানুষেরা একটা ভয়ের মধ্যে দিন পার করছি।

তবে বিগত দিনে হরতাল অবরোধে যে ধরনের সহিংসতা তৈরি হতো সেখান থেকে বর্তমান সময়ে হরতাল অবরোধে সহিংসতার মাত্রা কিছুটা কম। চাঁদপুর থেকে আসা রাশেদ নামে আরেক যাত্রী বলেন, দেশে দ্রব্যমূল্যের যে অবস্থা তাতে যদি আমাদের মতো সাধারণ মানুষেরা ঘরে বসে থাকি তাতে তো আমাদের জীবন আর চলবে না।জীবনের তাগিদেই আমাদের বের হতে হবে, যতই হরতাল অবরোধ থাক না কেন। তবে কিছুটা হলেও তো আমাদের মাঝে ভয় কাজ করে। তারপরও কিছু করার নেই।

সকাল থেকেই সদরঘাট এলাকায় পুলিশের উপস্থিত ছিল চোখে পড়ার মতো। নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের এক কর্মকর্তা ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের কাছে তথ্য আছে অবরোধকে ঘিরে যেকোনো ধরনের সহিংসতার সৃষ্টি হতে পারে। তাই আমরা সকাল থেকেই সদরঘাট এলাকায় অবস্থান নিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা যাকে সন্দেহ হয় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি করা অব্যাহত রেখেছি প্রতিদিনের মতো। যাতে কেউ কোনো ধরনের নাশকতা করতে না পারে। এদিকে সদরঘাট থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যাত্রীবাহী বাসগুলো অন্যদিনের মতো সকাল থেকেই যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে। ছিল থ্রিহুইলার সহ অন্যান্য গাড়ির ব্যাপক উপস্থিতি। যা সদরঘাট এলাকায় ছোট-ছোট যানজটেরও সৃষ্টি করে।

কাশিয়ানীতে জেলা পরিষদ নির্বাচনে হাতিয়াড়া ইউনিয়নে সিকদার সেলিমের নির্বাচনী সভা

0

আলোড়ন৭১ প্রতিনিধি:
আসন্ন ১৭ অক্টোবর গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ২নং সদস্য (কাশিয়ানী উপজেলা) প্রার্থী সিকদার সেলিম হাতিয়াড়া ইউনিয়নের ভোটারদের নিয়ে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা করেন।
সোমবার (২০ সেপ্টেম্বও ২০২২) বিকাল ৪টায় হাতিয়াড়া ইউনিয়ন বোর্ড অফিসে চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মাধ্যমে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
নির্বাচনী সভায় হাতিয়াড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেবদুলাল বিশ^াসের সভাপতিত্ব সঞ্চালন করেন হাতিয়াড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক বাদশা মোল্যা।
উক্ত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন প্রার্থী সিকদার সেলিম তিনি বলেন, আমার অনেক দিনের ইচ্ছা মানুষের উপকার করা বিশেষ করে খালের পুর্ব পারের অবহেলিত মানুষের পাশে থেকে কাজ করা। নির্বাচনে বিজয়ী হলে গরীব দুঃখী মানুষে পাশে থেকে কাজ করব। নির্বাচনী এলাকার রাস্তা-ঘাটের উন্নয়নে কাজ করে যাব। হাতিয়াড়া ইউনিয়নের ভোটার দের কাছে ভোট ভিক্ষা ও সর্বস্তরের মানুষের কাছে দোয়া ও সমর্থন দোয়া চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন।
এ সময় আরো বক্তব্য দেন হাতিয়াড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মনমথ নাথ পাঠক, হাতিয়াড়া ইউনিয়ন ১নং ওয়ার্ড সদস্য এস এম জুয়েল, ৬নং ওয়ার্ড সদস্য সুব্রত বালা, ৩নং ওয়ার্ড সদস্য জামাল মোল্যা, ৯নং ওয়ার্ড রমেশ বালা, ৫নং ওয়ার্ড সদস্য প্রবির বিশ^াস, ৪নং ওয়ার্ড সদস্য তাপশ বিশ^াস, মহিলা সদস্য বিনা সিকদার, পুইশুর ইউনিয়নের ৮নং সদস্য জালাল শিকদারসহ প্রমুখ।
প্রত্যেক সদস্যরা তাদের বক্তব্যে বলেন, আমরা নিজেরা ভোট দিব এবং অন্য ইউনিয়নের সদস্য দের কাছে গিয়ে সিকদার সেলিমকে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করব।

কাশিয়ানীতে নৌকার মাঝি মশিউর রহমান খানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

কাশিয়ানী(গোপালগঞ্জ) উপজেলা প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার ৫নং সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিউর রহমান খানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় উপজেলার ভাটিয়াপাড়া বাজারের শহীদ স্মৃতিসংঘ মাঠে মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। এতে ওই ইউনিয়নের বিশিষ্টজনেরা উপস্থিত থেকে মশিউর রহমান খানকে নির্বাচিত করার দৃঢ়প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এ সময় আসছে ইউপি নির্বাচনে ৫নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় বারের মতো পুনরায় নৌকা প্রতিক পাওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জননেতা কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক খানসহ সকলকে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মশিউর রহমান খানের বিজয় নিশ্চিত করতে সবার প্রতি আহবান জানান বক্তারা।

এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করেন সদর ইউনিয়নের এলাকাবাসী। মতবিনিময় সভায় বীর মুক্তিযোদ্ধা ৮নং ওয়ার্ড ইউনিয়নের সভাপতি নূর মোহাম্মদ কাজীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালন করেন সদন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাসুম হোসেন।
জাকের হোসেন, কাজী খোকন, ্আইনুল শরিফ,বীর মুক্তিযোদ্ধা ইমদাদুল হক নানটু, হান্নান সর্দার, হাফিজুর রহমান,জাহিদুর রহমান, বাবুল ফকির, জাহাঙ্গীর হোসেন,
মান্নান শেখসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ ছাত্রলীগ নেত্রীবৃন্দ ও সর্বস্তরের জনগন নির্বাচনী

এ মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।
মশিউর রহমান খান তার বক্তবে বলেন, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী ৫নং সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দ্বিতীয় বারে পুনরায় তাকে নৌকা প্রতিক দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও জননেতা কর্নেল মুহাম্মদ ফারুক খানসহ সকলকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বক্তব্য দেন এবং তিনি সকলের কাছে দোয়া চেয়ে বলেন কাশিয়ানী ইউনিয়ন এর উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পূনরায় তাকে ভোট দিয়ে সেবা করার সুযোগ দিন।

কাশিয়ানীতে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার জন্মবার্ষিকী উদযাপন – Aloron71

 

কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সারা দেশের ন্যায় গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের ৯১ তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

এ উপলক্ষে সকাল ১০টায় উপজেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

aloron71


উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রথীন্দ্রনাথ রায়ের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত আসনের নারী সংসদ সদস্য নার্গিস রহমান।
অনুষ্ঠানটিতে স্বাগত ভাষন ও সঞ্চালনা করেন উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারজানা খান সোনিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুব্রত ঠাকুর, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মোক্তার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজিয়া শাহনাজ তমা, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. তাপস বিশ্বাস, ওসি মো. আজিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সোহাগী রহমান মুক্তা, ইউপি চেয়ারম্যান মো. মশিউর রহমান খান।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিরা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

aloron-71

অনুষ্ঠানের পরে ৩০ জন দুঃস্থ নারীর মাঝে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আওতায় নগদ অর্থ ও সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।

Aloron -71

কাশিয়ানীতে বিজয় হলেন যারা

কাশিয়ানী(গোপালগঞ্জ)উপজেলা প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলায় ২৪ তারিখের নির্বাচনে টেলিফোন প্রতীক নিয়ে ২২হাজার ৪১৬ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সুব্রত ঠাকুর হিল্টু ও তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বি মোক্তার হোসেন দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ২১হাজার ৭১৬ ভোট পেয়েছে।
পদ্মফুল প্রতীক নিয়ে ২৯ হাজার ৩৯১ ভোট পেয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন সোহাগী রহমান মুক্তা ও তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বি তানজিলা বেগম হাস মার্কা নিয়ে ২৪ হাজার ২৬৭ ভোট পেয়েছে।
তালা প্রতীক নিয়ে ৩৮ হাজার ১৬৫ ভোট পেয়ে ভাইচ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন খাজা নেওয়াজ ও তার নিকট তম প্রতিদ্বন্দ্বি জাপান উড়োজাহাজ নিয়ে ২৮হাজার ৫৯২ ভোট পেয়েছে।

জতকুরা গ্রাম বাসির পক্ষে মো. নওশের আলী মোল্যা টাকার মাল্য দিয়ে বরন করে নিলেন মো. মোক্তার হেসেনকে

আলোড়ন পপ্রতিনিধি:

কাশিয়ানী উপজেলার বেথুড়ি ইউনিয়নের জতকুরা গ্রাম বাসির পক্ষে মো. নওশের আলী মোল্যা টাকার মাল্য দিয়ে বরন করে নিলেন উপজেলা পদপ্রার্থী মো. মোক্তার হেসেনকে।
গত কাল শনিবার বিকেলে জতকুরা গ্রামে নির্বাচনী জন সভায় মো. মোক্তার হেসেনকে কাছে পেয়ে তাকে ভোটের মাধ্যমে জয়ী করবেন বলে জানান ভোটারেরা।

কাশিয়ানীতে একটু পরে জানা যাবে কে হবেন নৌকার মাঝি

1

আগামী ২৪ মার্চ তৃতীয় ধাপে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ২৬ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে প্রার্থী হতে আবেদন করার শেষ তারিখ। এখনো প্রার্থীর নাম প্রকাশ না করায় হতাশায় ভুগছেন আগ্রহী প্রার্থীরা।

ইতিমধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে নানান জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছে। উপজেলা সবর্ত্রই নির্বাচনী আমেজ দেখা দিয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আলোচনার কমতি নেই। কে হচ্ছেন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকার মাঝি? আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে ১৫ জন প্রার্থী দলের কাছে ইতি মধ্যে আবেদন করেছেন। প্রায় সব প্রার্থী দলীয় প্রতীক নৌকা পেতে দলের হাইকমান্ডের নেতাদের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে চলেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজ শনিবার বিকালে আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হবে, গোপালগঞ্জের ৫ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না উন্মুক্ত হবে। আর দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হলে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর নামও জানা যাবে আজ।

জানাগেছে, কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নড়েচড়ে বসেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় ও ঢাকা কেন্দ্রীক নেতাকর্মীরা। ঢাকা থেকে অনেক নেতাই দলীয় ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে ছুটে এসেছেন। সারা বছর এ সব নেতাকর্মীর দেখা না মিললেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারা ছুটে এসেছেন নিজ জন্ম ভূমি কাশিয়ানীর মাটিতে। অনেক নেতাকর্মীরা মজা করে তাদের শীতের পাখি বলেছেন।

চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পেতে যারা দৌড়ঝাপ করছেন তারা হলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোক্তার হোসেন, কাজী জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ জানে আলম বিরু, সুব্রত ঠাকুর,মোঃ আনোয়ারুল কাদীর রাজ, মোঃ ফারুক আহম্মদ, মোঃ আবু জাহিদ মোল্যা, নূরুজ্জামান মোল্যা জুন্নু, কাজি নূরুল আমিন তুহিন, কাইসুর রহমার সিদ্দিকী, আব্দুর রউফ মোল্যা, এ্যাডঃ মোরাদ হোসেন, জহির রায়হান পলাশ, মোছাঃ শামচুন্নাহার মিনা জামান ও মোঃ আমিনূল ইসলাম আমিন।

কাশিয়ানীতে দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন ৪৬ জন নেতাকর্মী

আলোড়ন প্রতিনিধিঃ
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীতে তিন পদে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন চেয়েছেন ৪৬ জন নেতাকর্মী।
জানাগেছে, উপজেলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় ও ঢাকা কেন্দ্রীক নেতাকর্মীরা। ঢাকা থেকে অনেক নেতাই দলীয় ফরম সংগ্রহ ও জমা দিতে কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে ছুটে এসেছেন। সারা বছর এ সব নেতাকর্মীর দেখা না মিললেও নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তারা ছুটে এসেছেন নিজ জন্ম ভূমি কাশিয়ানীর মাটিতে। কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ অফিসে গত সোমবার হতে নমিনেশন ফরম বিতারণ ও গ্রহণ করা হয়েছে। কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোক্তার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক কাজী জাহাঙ্গীর আলম জানান, সোমবার আমাদের কাছে মনোনয়ন ফরম জমা দেবার শেষ দিন ছিলো।

নেতাকর্মীরা ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপন্নার সাথে দলীয় ফরম জমা দিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে ১৫ জন, ভাইস-চেয়ারম্যান পুরুষ পদে-২৪,মহিলা ভাইস -চেয়ারম্যান পদে ০৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
চেয়ারম্যান পদে যারা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন তারা হলেন,বীরমুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোক্তার হোসেন, কাজী জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ জানে আলম বিরু, সুব্রত ঠাকুর, মোছাঃ শামচুন্নাহার মিনা জামান, মোঃ আনোয়ারুল কাদীর রাজ, মোঃ ফারুক আহম্মদ, মোঃ আবু জাহিদ মোল্যা, নূরুজ্জামান মোল্যা জুন্নু, কাজি নূরুল আমিন তুহিন, কাইসুর রহমার সিদ্দিকী, আব্দুর রউফ মোল্যা, এ্যাডঃ মোরাদ হোসেন, জহির রায়হান পলাশ ও মোঃ আমিনূল ইসলাম আমিন।
ভাইস-চেয়ারম্যান পুরুষ পদে-যারা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন তারা হলেন- মোঃ খাজা নেওয়াজ, মোঃ শফিকুল ইসলাম শহিদুল,মশিউর রহমান, আবুল কালাম আজাদ কালু, শেখ বুলবুল আহমেদ, জামিনুর রহমান জাপান, মোঃ ইউনুছ শেখ, পলাশ শিকদার, মোঃ জামাল হোসন, মোঃ টুটুল মোল্যা, মোঃ মফিজুর রহমান, মোঃ ফিরোজ মোল্যা, শেখ মোঃ মোরশেদুল ইসলাম কাবিল, শরীফ আঃ আজিজ, সরজ কান্তি বাইন, মুন্সি ইনামুল হক, সৈকত উজির মনির, দয়াল চন্দ্র বালা, খান কামরুজ্জামান ,টি,এম লায়েকুজ্জামান, মোঃ ফরহাদ হোসেন, মোঃ রাজিব হোসেন, এনামুল হক মিরাজ, মোঃ নাদিম শিকদার।
ভাইস-চেয়ারম্যান মহিলা পদে-যারা মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন তারা হলেন মোছাঃ তানজিলা বেগম, সেলিনা জামান, সোহাগী রহমান মুক্তা, মিসেস মোনালিসা, মুঞ্জুয়ারা বেগম, দূর্গা বিশ্বাস।

কাশিয়ানীতে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় মোক্তার হোসেনকে


সাদেক আহমেদ ও এম শিমুল খান: আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো: মোক্তার হোসেনকে কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চায় কাশিয়ানী উপজেলাবাসী।
অসাধারণ মানবিক গুনাবলীর অধিকারী, সৎ, যোগ্য ও কর্মীবান্ধব নীরব বিপ্লবী নেতা মো: মোক্তার হোসেন। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনৈতিক অঙ্গণে তাঁর বিচরণ। তিনি ছাত্রজীবনেও ছিলেন তুখোড় ছাত্রনেতা। বিএনপি-জামায়াতের শাসনামলে আওয়ামীলীগে দু:সময়ের সাহসী এই মানুষটি একাধিক মিথ্যা মামলা ও হয়রানীর শিকার হয়েছেন। দলের জন্য নিজের সম্পদ বিক্রি করে মামলায় অর্থের যোগান দিয়েছেন। তাঁর দুরদর্শিতা ও কৌশল এবং সুদক্ষ নেতৃত্ব কাশিয়ানী উপজেলা আওয়ামীলীগের রাজনৈতিক অঙ্গণে বয়ে এনেছে বিরাট সাফল্য।
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মো: মোক্তার হোসেন দলীয় মনোনয়ন পেলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক সময়ে তিনি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন। কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের অন্যতম দাবিদার হিসেবে আলোচিত নাম মো: মোক্তার হোসেন। উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাঁকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হোক এমন দাবি এখন কাশিয়ানী উপজেলাবাসীর।
স্থানীয়রা জানায়, মুক্তিযোদ্ধা মো: মোক্তার হোসেন একজন পরিস্কার ইমেজের নেতা হিসেবে এলাকায় এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে বেশ খ্যাতি অর্জন করেছেন। যার কারণে আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী হিসেবে দলের নীতি-নির্ধারকরা তাঁকে বেছে নিবেন এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।
স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মী সূত্রে জানা গেছে, মো: মোক্তার হোসেন একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে কাশিয়ানী উপজেলাকে রাজনৈতিক অঙ্গণে দলীয় কোন্দল, সংঘাত ও চাঁদাবাজ মুক্ত রেখে সততা এবং কৃতিত্বের পরিচয় দিয়েছেন। তিনি সাধারণ মানুষের নানা সমস্যা সমাধান তথা দলীয় কর্মকান্ড নিয়ে ব্যস্ত থাকেন সারাক্ষণ। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি আর জনসেবা এই দু’টি দিয়েই চলছে তাঁর সংসার জীবন।
কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাফোর ইমাম বলেন, আমরা কাশিয়ানী উপজেলাবাসী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও আমাদের দুই এমপি মহোদয়ের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি যেন কাশিয়ানীবাসীর নেতা ও অভিভাবক মো: মোক্তার হোসেনকে মনোনয়ন দিয়ে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষের আশা পূরণ করেন।
কাশিয়ানী উপজেলার ১৪ ইউনিয়নের বেশীর ভাগ চেয়াপরম্যানেরা বলেন, উপজেলার সাধারণ মানুষের ভালবাসা ও আন্তরিকতায় মোক্তার হোসেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। তাই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তাঁকে মনোনয়ন দিয়ে গণমানুষের প্রত্যাশা পূরণে উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে তাকে দেখতে চাই।
প্রধানমন্ত্রী তথা দলের সংশ্লিষ্টদের কাছে কাশিয়ানী উপজেলার সাধারণ মানুষের প্রাণের দাবি যোগ্য এ নেতাকে কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বানিয়ে কাশিয়ানীবাসীকে যেন পুরস্কৃত করা হয়।

চলমান উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান বি.এম কামাল’কে আবারো চায় জনসাধারণ

সাইফুল ইসলাম,বিশেষ প্রতিনিধিঃ-
আসন্ন লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে বি.এম কামাল হোসেন ভূঁইয়া’কে চায় উপজেলা আওয়ামীলীগ, অঙ্গসংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মী এবং জনসাধারণ। দক্ষ সংগঠক ও পরীক্ষিত ত্যাগী নেতা, চলমান উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান বি.এম কামাল হোসেন উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনকে আরো শক্তিশালী হবে বলে তৃণমূল নেতাকর্মীরা মনে করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে
স্কুল জীবনে লেখা-পড়ার পাশাপাশি ছাত্র রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। ২০১২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য হয়ে তিনি রাজনীতিতে আসেন। দলীয় কর্মকাণ্ডে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা তার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ লোহাগড়া উপজেলা শাখার সুযোগ্য সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেছেন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের তৃণমূল নেতাকর্মীরা।আওয়ামীলীগ নেতাকে ঐক্যবদ্ধভাবে দলীয় নির্দেশনা দেন এবং সেগুলো তিনি পালন করে আসছে।

নেতাকর্মীরা আরো জানান, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে সারাদেশের ন্যায় 
নড়াইল-লোহাগড়ায় আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীদের উপর নির্যাতনের স্ট্রীম রোলার চালানো হয়েছে। মামলা ও হামলায় জর্জরিত নেতাকর্মীরা তখন বাড়িঘরে ঘুমাতে পারেনি। সেই কঠিন দূরবস্থার সময় তৃণমূল নেতাকর্মীদের পাশে ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বি.এম কামাল। এছাড়া আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন করার পরেও নেতাকর্মীদের বিপদ-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছেন। তিনি এমন এক নেতা যিনি কখনো দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ অমান্য করেননি।

জাতীয় একাদশ সংসদ নির্বাচনে নড়াইল-২ আসনে আওয়ামীলীগ মনোনীত নৌকার প্রার্থী মাশরাফি বিন মর্তুজার পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তরুণ এই আওয়ামীলীগ নেতা বি.এম কামাল হোসেন। তার নিজ ভোট কেন্দ্র, ধানাইড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শতভাগ ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন।

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের তিন প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হতে চায়

এম শিমুল খান: একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচিত এমপিরা শপথ নিয়েছেন গত বৃহস্পতিবার। সোমবার যাত্রা শুরু করছে নতুন সরকার। এরইমধ্যে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন নিয়ে তৎপরতা শুরু করেছে আওয়ামীলীগ। সংসদের প্রথম অধিবেশনেই সংরক্ষিত আসনের এমপিদের যোগদান নিশ্চিত করতে চায় দলটি।
গোপালগঞ্জ-১ আসন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনয়ন ফরম কিনেছিলেন যারা, তাদের মধ্যে অ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আরিফা রহমান রুমা অন্যতম। অন্য প্রার্থী হলেন গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান তানিয়া হক শুভা।
উম্মে রাজিয়া কাজল ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় আওয়ামীলীগের মনোনয়নে গোপালগঞ্জ জেলার জন্য নির্ধারিত সংরক্ষিত ৪৩ নং আসন থেকে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হন। অ্যাডভোকেট উম্মে রাজিয়া কাজল আবারো সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হতে চান। প্রতিবন্ধী ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুলসহ গোপালগঞ্জে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তিনি। গোপালগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় শোক দিবস, ঈদ শুভেচ্ছা, শারদীয় শুভেচ্ছাসহ রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে তিনি এলাকায় পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি মুকসুদপুর পৌরসভার পূর্বাকর্দি গ্রামের মেয়ে।
তানিয়া হক শুভা গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ যুব মহিলালীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক। তিনি মুকসুদপুর উপজেলার বাশবাড়িয়া ইউপির ঝুলিগ্রামের মেয়ে।
আরিফা রহমান রুমা বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(বাউবি) শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সহযোগী অধ্যাপক। তার ভাষ্য, রাজনীতির বাইরে অন্য যা কিছু করেছি বা করি সবই আমার রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণে সাহায্য করার জন্য। তিনি মুকসুদপুর পৌরসভার গুলাবায়িা গ্রামের মুন্সী আতিয়ার রহমানের মেয়ে।

গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা

গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা
এম শিমুল খান: গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রধানমন্ত্রী শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এ সময় শেখ হাসিনার পাশে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে প্রধানমন্ত্রী সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল গার্ড অব অনার প্রদান করে।
এরপর বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ, বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। এ সময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, শেখ হেলাল এমপি, শেখ সালাউদ্দিন জুয়েল এমপি ও শেখ সারহান নাসের তন্ময় এমপি। এছাড়াও সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।
এর আগে রাজধানীর পুরাতন বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী গোপালগঞ্জের টুঙ্গীপাড়ায় এসে পৌঁছান।
অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী ছাড়া মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যরা তিনটি বাসে করে রাজধানী থেকে টুঙ্গীপাড়ায় আসেন। পরে মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়ে ১টা ৪২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী আবারো সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, কৃষি মন্ত্রী মো: আবদুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্য মন্ত্রী মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক, অর্থ মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো: তাজুল ইসলাম, শিক্ষা মন্ত্রী ডা: দিপু মনি, পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, শিল্প মন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তসীর গাজী, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার, বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুন্সি, সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ, গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো: শাহাব উদ্দীন, পার্বত্য চট্রগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, ভূমি মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী, রেলপথ মন্ত্রী মো: নুরুল ইসলাম সুজন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার।
এ ছাড়াও শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার, প্রবাশী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী ইমরান আহমদ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো: জাহিদ আহসান রাসেল, বিদ্যুৎ জ¦ালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো: আশরাফ আলী খান খসরু, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, প্রাথমিক ও গনশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো: জাকির হোসেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো: শাহরিয়ার আলম, তথ্য ও যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্রাচার্য, পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো: মুরাদ হাসান, সমাজ কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ, সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান প্রতিমন্ত্রী ডা: মো: এনামুর রহমান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো: মাহবুব আলী, ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
এ ছাড়াও পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, পানি সম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল উপস্থিত ছিলেন।

গোপালগঞ্জের মধ্যে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে জন-প্রিয়তার শীর্ষে মিনা জামান।


আলোড়ন প্রতিনিধি:
কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নে বার বার নির্বাচিত জনপ্রিয় সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মৃধার সুযোগ্য সহধর্মিনী তিনি। দুহাজার সালে দায়িত্ব পালন পর্যায়েই মনিরুজ্জামান মৃধা ইন্তেকাল করেন। তার জনপ্রিয়তার ঢেউ লাগে যোগ্য স্ত্রী মিনা জামানের উপর। জন গনের দাবীর মুখে মিনা জামানকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদে দাঁড়াতে হয়। বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি চেয়রম্যান নির্বাচিত হন। এক পর্যায় তিনি তার নেতৃত্বগুনে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কাশিয়ানী উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি দায়িত্ব পান। সঠিক নেতৃত্বগুনে পরবর্তিতে তিনি বিপুল ভোটের দুবার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি জানান স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা ও মসজিদের কমিটির সাথে থেকে কাজ করে জাচ্ছি এবং অনেক দেশ ভ্রমনের অবিগতা আমার আছে। তিনি আরো বলেন সমাজে উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় তিনি ২০১৪ সালে জয়িতা-র সম্মানে ভূসিত হন।
জন গনের মতে-সামচুনন্ননাহার(মিনা জামান) বিগত দুবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে কাশিয়ানী উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর কাশিয়ানী বাসীর সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে তাদের কল্যাণে কাজ করে চলেছেন। ভাইস চেয়ারম্যানদের হাতে উন্নয়নের তেমন চাবিকাঠি না থাকলেও তিনি একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি হিসেবে জনকল্যাণে নিবেদিতভাবে কাজ করেছেন। বিশেষ করে কারো কোন সমস্যার কথা শুনলেই তিনি মুহুর্তের মধ্যে ছুটে গিয়ে তাদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে প্রতিহিংসা ও দলমতের উর্ধ্বে থেকে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠাসহ সামগ্রিক উন্নয়নে কাজ করেছেন। সামচুনন্ননাহার(মিনা জামান) অত্যানন্ত মিষ্টভাষী জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন। বিশেষ করে দরিদ্র মেয়েদের বিবাহ কাজে সহযোগিতা, চিকিৎসা বঞ্চিত মানুষদের চিকিৎসা সেবা, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রিড়াঙ্গনের উন্নয়নে মিনা জামান সবার চেয়ে এগিয়ে। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মসূচিতেও তাঁর উপস্থিতি চোখে পড়ার মত।। কাশিয়ানী বাসীর সুখ-দুঃখের সাথী হিসেবে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে এবারো জনপ্রিয়তার শীর্ষে মিনা জামান । তাকে নিয়ে সর্বত্র চলছে আলোচনার ঝড়। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তাকেই ভোটারদের পছন্দ। তাই তাকে পুনরায় নির্বাচিত করার কথা ভাবছে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ।
মিনা জামান বলেন বিগতদিনে প্রাণপ্রিয় কাশিয়ানী উপজেলা সকলের মানুষের যে ভালোবাসা আমি পেয়েছি তা কখনো ভুলব না। আমি মৃত্যুর আগ পর্যনন্ত তাদের সুখ-দুঃখে পাশে থাকতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে করবো। তিনি বলেন- সারাদেশে ভাইস চেয়ারম্যানদের ক্ষমতা সীমিত। এ সীমিত ক্ষমতার মধ্যে আমি সততা ও যোগ্যতার মাঝে মানুষের সেবা করার চেষ্টা করেছি। বিগতদিনে আমি কারো উপকার করতে না পারলেও কারো ক্ষতি করিনি। এরপরও যদি আমার কারণে কেউ মনকষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে তা ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে আমি মনে-প্রাণে বিশ্বাস করি। আগামীতে তাকে পুনরায় ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোটাররা নির্বাচিত করে জনকল্যাণে কাজ করার সুযোগ দেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি সকলের আনন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া চেয়েছেন।

জাতির জনকের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে আগামীকাল বুধবার টুঙ্গিপাড়া আসছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা


নিজস্ব প্রতিনিধি. গোপালগঞ্জ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল বুধবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া আসছেন। চতুর্থ বারের মত প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হবার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধীতে শ্রদ্ধা জানাতে তিনি টুঙ্গিপাড়া আসছেন।
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোখলেসুর রহমানের কাছে প্রেরিত প্রধানমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব-১ কাজী নিশাত রসুল স্বাক্ষরিত এক ফ্যাক্স বার্তায় এ তথ্য জানা গেছে। ওই ফ্যাক্স বার্তায় জানানো হয়, বুধবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে গণভবন থেকে তেজগাঁও বিমান বন্দরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকাল ১০টায় হেলিকাপ্টার যোগে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন তিনি। সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা কমপ্লেক্স মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাডে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। বেলা ১১টায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সমাধীতে উপস্থিত হয়ে পুস্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। পরে বঙ্গবন্ধুর রুহের মাগফেরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেবেন তিনি। এ সময় সশস্ত্র বাহিনীর এশটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গার্ড অব অনার প্রদান করবেন।
বেলা ১২টা ২০ মিনিটে হেলিকপ্টার যোগে ঢাকার উদ্দেশ্যে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া নবনিযুক্ত মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা জানাবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের টুঙ্গিপাড়ায় আগমন উপলক্ষে জেলার সর্বত্র ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জে ৩টি আসনে মাঠে নেই বিএনপির প্রার্থীরা : প্রচারণায় আ.লীগ সরব, বিএনপি নীরব

0

গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় মাঠে নেই বিএনপির প্রার্থীরা। নির্বাচনী এলাকার কোথাও কোন পোস্টার টাঙ্গানো হয়নি। প্রার্থীদের পক্ষে নেই কোন মাইকিং ও প্রচার প্রচারনা। ওঠান বৈঠক, সভা-সমাবেশ ও গণসংযোগে দেখা যাচ্ছেনা প্রার্থীদের।
জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জম্মস্থান গোপালগঞ্জ একটি ঐতিহাসিক জেলা। গোপালগঞ্জ জেলায় পাঁচটি উপজেলা নিয়ে তিনটি সংসদীয় আসন গঠিত। জেলার তিনটি আসনই ভিআইপি আসন। বিগত সব নির্বাচনে এ তিনটি আসন থেকে আওয়ামীলীগের হেভিওয়েট প্রার্থীরা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আসছেন। এবারও ওই তিনটি আসনে লড়ছেন আওয়ামীলীগের হেভিওয়েট প্রার্থীরা।
গোপালগঞ্জ-১ আসন-মুকসুদপুর উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনের বর্তমান সাংসদ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী লে. কর্ণেল (অবঃ) ফারুক খান। এরআগে তিনি এ আসন থেকে পর পর চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ আসনে ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বিতর্কিত ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এ আসনের বিএনপি’র সাংসদ সরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর। বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম এ আসন থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য দলের কাছে মনোনয়ন চান। কিন্তু দল তাকে মনোনয়ন না দিয়ে সরফুজ্জামানকে প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেয়। এতে সেলিমুজ্জামানের ক্ষুদ্ধ কর্মী সমর্থকরা সরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর ও ছেলের উপর হামলা চালায়। প্রতিপক্ষের হামলায় গুরুতর আহত সরফুজ্জামান ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অপরদিকে জেলা বিএনপি সরফুজ্জামানকে মনোনয়ন দেয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও কুশপুত্তলিকায় অগ্নিসংযোগ এবং তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করেন। ফলে নেতা-কর্মীদের মাঝে নির্বাচনকে ঘিরে কোন আগ্রহ নেই বলে নেতা-কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়।
গোপালগঞ্জ ২ আসন গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। এ আসনের ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ১১হাজার। আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য মন্ত্রী শেখ ফজলুল করিম সেলিম এ আসন থেকে পর পর ৭বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বিএনপি থেকে মনোনয়ন পান। এলাকার মানুষ ও স্থানীয় নেতা কর্মীদের সাথে কোন যোগাযোগ না রাখা এবং আপদ বিপদে তাদের পাশে না থাকায় সিরাজুল ইসলামকেও অবাঞ্ছিত ঘোষনা করে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন। ফলে দলের অভ্যন্তরে অনেকটা কোনঠাসা হয়ে পড়েন। তিনি বর্তমানে গোপালগঞ্জে তার বাড়ীতে অবস্থান করলেও মাঠে নেই তিনি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভোট চেয়ে মাঝে মধ্যে তিনি প্রার্থীতা জানান দিচ্ছেন। এছাড়া দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যেও নেই কোন আগ্রহ। এরআগে ৮ম ও ৯ম সংসদ নির্বাচনে তিনি দলের মনোনয়ন পান কিন্তু ওই সব নির্বাচনে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
গোপালগঞ্জ ৩ আসন- টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং কোটালীপাড়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এ আসনের ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪৭ হাজার ৮৬০ জন। আওয়ামীলীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজ আসন এটি। তিনি এ আসনটি থেকে পরপর ৬ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বেচ্ছাসেবক দল ঢাকা দক্ষিণের সভাপতি এস এম জিলানী এ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পান। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক আছেন। এরআগেও তিনি এ আসনে নির্বাচনে অংশ নেন কিন্তু তখন তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছিল।
গোপালগঞ্জের তিনটি আসন ভিআইপি আসন হলেও দেশের অন্যান্য জায়গার মতো কোন সহিংসতার ঘটনা নেই। এলাকায় রয়েছে সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ।